বিশ্বের বিখ্যাত নদ-নদীর মধ্যে নীলনদ, আমাজন, হোয়াংহো, মিসিসিপি, এবং গঙ্গানদী অন্যতম, যা সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে; বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ও ব্রহ্মপুত্রের মতো প্রধান নদীগুলো দেশের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার কেন্দ্রবিন্দু, যা অসংখ্য উপনদী ও শাখানদীর (যেমন তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই) মাধ্যমে বিস্তৃত।
পৃথিবীর বিখ্যাত নদীর নাম ও বৈশিষ্ট্য
নদী | বৈশিষ্ট্য |
এশিয়ার নদ নদী | |
| ১. ইয়াংসিকিয়াং নদ | ● এশিয়া এবং চীনের দীর্ঘতম নদ। ● এর অপর নাম স্বর্ণভরপুর নদী । ● দৈর্ঘ্য : ৬৩০০ কিমি । ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল পূর্ব চীন সাগরে । |
| ২. হোয়াংহো নদ | ● দৈর্ঘ্য: ৫৪৬৪ কি.মি । ● প্রাচীনকালে বন্যায় দুইধার প্লাবিত হতো বলে একে 'চীনের দুঃখ' বলা হত। ● অন্য নাম পীত নদী, হলুদ নদী । ● এর উৎপত্তি চীনের কুনলুন পর্বত এবং পতনস্থল পীত সাগরে । |
| ৩. সিন্ধু নদ | ● দেশ: পাকিস্তান, ভারত, চীন এবং আফগানিস্তান। ● দৈর্ঘ্য: ৩১৮০ কিমি ● ভারতবর্ষের দীর্ঘতম নদ। ● এই নদীর নামানুসারে ভারতের নাম 'ইন্ডিয়া' হয়েছে ● পাকিস্তানের অর্থনীতির ভিত্তি। ● শতদ্রু (শতলজ), বিপাশা, ইরাবতী (রাভী), চন্দ্রভাগা, বিতস্তা (ঝিলাম) প্রভৃতি সিন্ধুর প্রধান উপনদী। ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল আরব সাগরে । |
| ৪. গঙ্গা | ● দেশ: নেপাল, ভারত এবং বাংলাদেশ। ● ভারতের প্রধান/ জাতীয় নদ। ● ধর্মীয়ভাবে হিন্দুদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ নদ। ● দৈর্ঘ্য: ২৫১০ কিমি। ● শাখানদী: হুগলি ও ভাগীরথী। ● এর উৎপত্তি হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ এবং পতনস্থল বঙ্গোপসাগর । |
| ৫. ব্রহ্মপুত্র | ● দেশ: চীন, নেপাল, ভুটান, ভারত এবং বাংলাদেশ ● দৈর্ঘ্য: ২৯৪৮ কিমি ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মানস সরোবর হৃদ এবং পতনস্থল বঙ্গোপসাগর |
| ৬. লেনা নদ | ● দেশ : রাশিয়া ● এটি সাইবেরিয়ায় অবস্থিত এবং বরফাবৃত। ● এর উৎপত্তি বৈকাল হৃদ এবং পতনস্থল উত্তর মহাসাগর |
| ৭. আমুর নদ | ● সাইবেরিয়ায় অবস্থিত । ● মধ্য এশিয়ার দীর্ঘতম নদী । ● এর উৎপত্তি ইউব্লোনভি পর্বত এবং পতনস্থল ওখটস্ক সাগর । |
| ৮. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস | ● দেশ: ইরাক, তুরস্ক এবং সিরিয়া। ● মিলীতভাবে শাত-ইল-আরব নামে পারস্য উপসাগরে পতিত হয়। ● দোজলা-ফোরাত নামেও পরিচিত। ● এর উৎপত্তি আর্মেনিয়ার উচ্চভূমি এবং পতনস্থল পারস্য উপসাগর । |
| ৯. জর্ডান | ● দেশ: জর্ডান ইসরাইল। ● ইহুদি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পবিত্র নদী। ● এ নদীতে মাছ হয় না। ● এ নদীর প্রবাহ সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর, ইসরায়েল এবং জর্ডানসহ ৫টি দেশের ভিতর দিয়ে যায়। ইসরায়েল এই নদীর পানি সেচের কাজে ব্যবহার করতে কৃত্রিমভাবে খাল কেটে দক্ষিণ দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে মৃত সাগরের পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। ● এর উৎপত্তি হুলা হৃদ এবং পতনস্থল মৃত সাগর । |
| ১০. ইরাবতী | ● দেশ: মায়ানমার ● এর উৎপত্তি ভারতের নাগা পার্বত্য অঞ্চল এবং পতনস্থল মার্তাবান উপসাগর । |
| ১১. সালুইন | ● এর উৎপত্তি তিব্বতের মালভূমি এবং পতনস্থল মার্তাবান উপসাগর । |
ইউরোপের নদ নদী | |
| ১. ভলগা | ● ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ● দেশ: রাশিয়া ও কাজাখস্তান। ● দৈর্ঘ্য: ৩,৬৯০ কিমি। ● এর উৎপত্তি রাশিয়ার ভলদাই পর্বত এবং পতনস্থল কাস্পিয়ান সাগর । |
| ২. দানিয়ুব নদী | ● ইউরোপের ২য় দীর্ঘতম নদী। ● ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথ ● দৈর্ঘ্য: ২৮৪২ কি.মি. ● ১০ টি দেশের (মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ) উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে একে আন্তর্জাতিক নদী বলে। ● দেশ: রুমানিয়া, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, জার্মানি, স্লোভাকিয়া, বুলগেরিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া। ● এর উৎপত্তি ব্ল্যাক ফরেস্ট এবং পতনস্থল কৃষ্ণসাগর । |
| ৩. ভিশ্চুলা এবং ওভারনীম নদী | ● এর উৎপত্তি ইউরোপের উচ্চ মালভূমি এবং পতনস্থল বাল্টিক সাগর । |
| ৪. এলব | ● এর উৎপত্তি এডা পর্বতশ্রেণী এবং পতনস্থল উত্তর সাগর । |
| ● বসনিয়া-হার্জেগোভিনাকে পৃথক করেছে - দ্রীনা নদী। | |
| ● আল্পস এর পার্বত্য অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে পো অ্যাড্রিয়াটিক সাগরে, রোন ভূ-মধ্যসাগরে, রাইন উত্তর সাগরে পতিত হয়েছে। | |
| ● ডন, নিপার, নিস্টার প্রভৃতি কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয়েছে। | |
| ● জেনেভা, লুসান, জুরিখ, ম্যাডোরে, গার্দা, কনস্ট্যান্স ইনারি ইউরোপের বিখ্যাত হ্রদ। | |
আফ্রিকার নদ নদী | |
| ১. নীলনদ | ● আফ্রিকা তথা বিশ্বের দীর্ঘতম নদী। ● দৈর্ঘ্য: ৬৬৯০ কিমি. (প্রায়)/ ৪,২৫৮ মাইল। ● আফ্রিকার ১১ টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত: উগান্ডা, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, মিশর, রুয়ান্ডা, কঙ্গো, বুরুন্ডি, তানজানিয়া, ইরিত্রিয়া, কেনিয়া। ● সুদানের খার্তুসে ব্লু নাইল ও হোয়াইট নাইল মিলিত হয়েছে। ● এই নদী বিষুবরেখাকে দুইবার অতিক্রম করেছে। হোয়াইট নাইলের এর উৎস হল ভিক্টোরিয়া হ্রদ। ● ব্লু লাইন এর উৎস হল জানা হ্রদ (ইথিওপিয়া) । ● এর উৎপত্তি ভিক্টোরিয়ার হৃদ এবং পতনস্থল ভূ-মধ্যসাগর । |
| ২. কঙ্গো | ● আফ্রিকা দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী । ● এর মোহনা ১১ কিলোমিটার । ● এর উৎপত্তি মালাবি ও তানজানিয়ার মধ্যবর্তী উচ্চভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
| ৩. জাম্বেসি | ● এ নদীর গতিপথ সৃষ্টি হয়েছে ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত। ● এর উৎপত্তি এঙ্গোলার মালভূমি এবং পতনস্থল ভারত মহাসাগর । |
দক্ষিণ আমেরিকার নদ-নদী | |
| ১. আমাজন | ● পৃথিবীর বৃহত্তম এবং প্রশস্ততম নদী। ● পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। ● দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য ৬৪৩৭ কি.মি । ● নদীটি ৭টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যথা- ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা ও গায়ানা । ● এ নদীর অববাহিকায় রয়েছে সেলভা বনভূমি। ● এই নদীর ২০টি উপনদী আছে। ● এই নদী দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় (৪.২ মিলিয়ন ঘনফুট/সেকেন্ড)। ● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
| ২. ওরিনকো | ● কলম্বিয়া ও ভেনিজুয়েলার সীমানা নির্ধারণ করে। ● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর । |
উত্তর আমেরিকার নদ-নদী | |
| ১. মিসিসিপি মিসৌরি | ● যুক্তরাষ্ট্র তথা উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। ● দৈর্ঘ্য : ৫৯৭১ কিমি । ● উপনদী সহ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ। ● মিসৌরি মিসিসিপির প্রধান উপনদী। ● মিসিসিপি-মিসৌরির একত্রে দৈর্ঘ্য ৮০৯৫ কি.মি। ● এটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট লুইসে মিসিসিপির সাথে মিলিত হয়েছে । ● এই নদীর উৎপত্তি মিনেসোটা হ্রদ এবং পতনস্থল মেক্সিকো উপসাগর । |
| ২. ম্যাকেঞ্জি | ● এই নদীর উৎপত্তি গ্রেট শ্লেভ এবং পতনস্থল উত্তর মহাসাগর । |
| ৩. সেন্টলরেন্স | ● এই নদীর উৎপত্তি অন্টারিও হ্রদ এবং পতনস্থল সেন্টলরেন্স উপসাগর । |
| ৪. নেলসন নদী | ● এই নদীর উৎপত্তি ইউনিপেগ হ্রদ এবং পতনস্থল হাডসন উপসাগর । |
অস্ট্রেলিয়ার উল্লেখযোগ্য নদী | |
| ● মারে ডার্লিং অস্ট্রেলিয়া দীর্ঘতম নদী। এটি অস্ট্রেলিয়ান আল্পসের কোসিয়াস্কো পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে এনকাউন্টার উপসাগরে পতিত হয়েছে। মারে ডার্লিং অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র তুষার গলা নদী। অস্ট্রেলিয়া অধিক বৃষ্টির পানি দ্বারা সৃষ্ট। ডালিং নদী মারে নদীর একটি উপনদী। | |
| ● অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলে কোনো নদী নেই। | |
| ● অন্যান্য নদী: ফিজরয়, ভিক্টোরিয়া, রোপার, ম্যাক আর্থার, মিচেল, গিলবার্ড। | |
| ● দীর্ঘতম নদী - নীলনদ ⇒ প্রশস্ততম নদী - আমাজান ⇒ আন্তর্জাতিক নদী - দানিয়ুর ⇒ ইউরোপ ও রাশিয়ায় দীর্ঘতম নদী - ভলগা | |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
আমাজন নদী দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী, যা জলপ্রবাহের পরিমাণে বিশ্বের বৃহত্তম এবং দৈর্ঘ্যে দ্বিতীয় দীর্ঘতম। পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি ব্রাজিলসহ আরও কয়েকটি দেশ পেরিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়েছে, এবং এর অববাহিকা পৃথিবীর অন্যতম জীববৈচিত্র্যপূর্ণ অঞ্চল। এই নদীতে প্রচুর পরিমাণে মিঠা জল পাওয়া যায় এবং এর বিশালতার কারণে কোনো সেতু নেই।
● পৃথিবীর বৃহত্তম এবং প্রশস্ততম নদী।
● পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
● দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য ৬৪৩৭ কি.মি ।
● নদীটি ৭টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যথা- ব্রাজিল, পেরু, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা ও গায়ানা ।
● এ নদীর অববাহিকায় রয়েছে সেলভা বনভূমি।
● এই নদীর ২০টি উপনদী আছে।
● এই নদী দিয়ে সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিত হয় (৪.২ মিলিয়ন ঘনফুট/সেকেন্ড)।
● এই নদীর উৎপত্তি গায়ানা মালভূমি এবং পতনস্থল আটলান্টিক মহাসাগর ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হুয়াংহো নদী , যা পীত নদী নামেও পরিচিত, উত্তর চীনের সর্বপ্রধান নদী এবং দৈর্ঘ্যে ৫৪৬৪ কিলোমিটার হওয়ায় এটি চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম ও বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম নদী। পশ্চিম চীনের ছিংহাই প্রদেশের বায়ান হার পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি বহু প্রদেশ অতিক্রম করে শানতুং প্রদেশের তুংইং শহরের কাছে পীত সাগরের পোহাই উপসাগরে পতিত হয়েছে। লোয়েস মালভূমি দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার ফলে নদীর পানিতে বিপুল পরিমাণ হলুদাভ পলিমাটি বহন হয়, যার কারণে এর নামকরণ হয়েছে “পীত নদী”। অতিরিক্ত পলি জমে নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় ইতিহাসে অন্তত ২৬ বার এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে এবং ১৬০০ বারেরও বেশি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়েছে, যা দুর্ভিক্ষ ও মহামারির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হওয়ায় একে “চীনের দুঃখ” বলা হয়। তবে এই পলিই উত্তর চীন সমভূমিকে অত্যন্ত উর্বর করে তুলেছে এবং এর তীরেই খ্রিস্টপূর্ব ১৭শ শতক থেকে প্রাচীন চীনা সভ্যতার বিকাশ ঘটে। হুয়াংহো নদীর অববাহিকাকে চীনা সভ্যতার আঁতুড়ঘর ও মাতৃনদী বলা হয়; এখানেই প্রাচীন রাজবংশগুলোর রাজধানী গড়ে ওঠে এবং মুদ্রণ, কাগজ, বারুদ ও দিকনির্ণয় যন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন ঘটে। আধুনিক যুগে চীনা সরকার বড় বাঁধ ও জলসংরক্ষণ প্রকল্প নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ও সেচব্যবস্থা উন্নত করেছে। বর্তমানে এই নদী চীনের প্রায় ১২% জনগণকে পানি সরবরাহ করে, ১৫% আবাদি জমিতে সেচ দেয় এবং দেশের জাতীয় উৎপাদনের একটি বড় অংশ এর উপর নির্ভরশীল, ফলে একসময়ের “চীনের দুঃখ” আজ বহু মানুষের জন্য আশীর্বাদে পরিণত হয়েছে।
Key Points
● দৈর্ঘ্য: ৫৪৬৪ কি.মি ।
● প্রাচীনকালে বন্যায় দুইধার প্লাবিত হতো বলে একে 'চীনের দুঃখ' বলা হত।
● অন্য নাম পীত নদী, হলুদ নদী ।
● এর উৎপত্তি চীনের কুনলুন পর্বত এবং পতনস্থল পীত সাগরে ।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more